রবিবার, ১৯ Jul ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : অতিথি পাখি শিকার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাবনার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) সুজানগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে (ওসি) পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।
অতিথি পাখি নিধন বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পাবনার সুজানগরে অবাধে অতিথি পাখি নিধন করা হচ্ছে। এক শ্রেণির অসাধু পাখি শিকারিসহ কিছু সৌখিন শিকারি এ অনৈতিক কাজ করছেন। প্রতিবছর শীত মৌসুমে সুদূর সাইবেরিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশ থেকে রাজহাঁস, চখা, পানকৌড়ি, পাতিহাঁস ও কাজলাদিঘিসহ বিভিন্ন জাতের অতিথি পাখি নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটে আসে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিলসহ পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে। এ বছরও শীতের শুরুতেই এসব পাখি গাজনার বিল ও পদ্মার চরাঞ্চলসহ আশপাশের বিলে আশ্রয় নিয়েছে। বিলপাড়ের শারীরভিটা গ্রামের বাসিন্দা বাদশা শেখ জানান, মাঝেমধ্যেই শিকারিরা বিলে কারেন্ট জালের ফাঁদ পেতে নির্বিঘ্নে অতিথি পাখি শিকার করছেন। শিকারিরা কখনো দিনে, কখনো রাতে পাখি শিকার করে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করেন। সেই সঙ্গে সৌখিন শিকারিরাও মাঝে মধ্যে তাদের বৈধ বন্দুক দিয়ে বিল ও চরাঞ্চল থেকে অতিথি পাখি শিকার করছেন। সৌখিন শিকারিরা অতিথি পাখির পাশাপাশি গ্রাম-গঞ্জে ঘুরে দেশি পাখিও শিকার করে থাকেন।
নগরকন্ঠ.কম/এআর